
Psyllium Husk (ইসবগুলের ভুসি) 250 gm
Select Variant:
Quantity:
ইসবগুলের ভুসি এবং বীজের প্রধান ব্যবহার কোষ্ঠকাঠিন্যে। আমরা সাধারণত এর ভুসিটাই বেশি ব্যবহার করি, কারণ এটি সহজলভ্য। শরীরের নানা সমস্যায়, খাদ্যাভ্যাসের দরুন, ওষুধ খাওয়া, বহুক্ষণ একস্থানে অনড় বসে থাকা, এমন কি অন্তঃসত্ত্বা অবস্থাতেও কারও কারও কোষ্ঠকাঠিন্য দেখা দিতে পারে। অন্য ওষুধের সঙ্গে ইসবগুল পথ্য হিসেবেও খাওয়া যেতে পারে, পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নেই বলে। ইসবগুল ভুসি (Psyllium Husk) হলো এক ধরনের প্রাকৃতিক ফাইবার যা কোষ্ঠকাঠিন্য, পেটের সমস্যা (গ্যাস, অ্যাসিডিটি) ও হজম উন্নত করতে ব্যবহৃত হয়; এটি জল শোষণ করে মল নরম করে মলত্যাগ সহজ করে, যা ডায়রিয়া ও কোষ্ঠকাঠিন্য উভয়ের জন্যই উপকারী এবং হার্ট ও ওজন নিয়ন্ত্রণেও সাহায্য করে, তবে পর্যাপ্ত জল সহ সেবন করা আবশ্যক। ইসবগুল ভুসি কি? এটি Plantago ovata গাছের বীজ থেকে প্রাপ্ত খোসা, যা প্রচুর পরিমাণে দ্রবণীয় ও অদ্রবণীয় ফাইবার সমৃদ্ধ। এটি একটি প্রাকৃতিক রেচক (laxative) হিসেবে কাজ করে। উপকারিতা: কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে: এটি অন্ত্রে জল শোষণ করে জেলির মতো পদার্থ তৈরি করে, যা মলকে নরম ও সহজপাচ্য করে। ডায়রিয়া ও পেটের সংক্রমণ: এটি মলকে জমাট বাঁধাতে সাহায্য করে এবং ডায়রিয়া প্রতিরোধে কাজ করে। অ্যাসিডিটি ও গ্যাস্ট্রিক: এটি পাকস্থলীর অ্যাসিড কমাতে সাহায্য করে এবং হজমশক্তি বাড়ায়। হৃদরোগ ও ওজন: এটি কোলেস্টেরল ও রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে এবং ওজন কমাতে সাহায্য করতে পারে। খাওয়ার নিয়ম: ১-২ চা চামচ ইসবগুল ভুসি এক গ্লাস জল, দুধ বা দইয়ের সাথে মিশিয়ে সাথে সাথেই খেয়ে ফেলতে হয়। দীর্ঘক্ষণ ভিজিয়ে রাখলে এটি বাইরে থেকেই জল শোষণ করে জমাট বেঁধে যেতে পারে, তাই সাথে সাথে সেবন করা জরুরি। প্রতিবার খাওয়ার পর পর্যাপ্ত জল পান করতে হবে। পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া: পর্যাপ্ত জল পান না করলে গ্যাস, পেট ফোলা বা পেটে অস্বস্তি হতে পারে। বিরল ক্ষেত্রে অ্যালার্জির প্রতিক্রিয়া সম্ভব।






